SEO ( Search Engine Optimization) SEO-Search engine Optimaization

SEO বা সার্চ ইনঞ্জিন অপটিমাইজেশন কী?

May 2, 2020
seo

seo করার জন্য বিভিন্ন উপায় আছে এবং বিষয়টি ব্যাপক। বিশ্বে কোটি কোটি ওয়েব সাইট আছে। নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ওয়েব সাইট পেতে আমরা google, Bing, Yeahoo ইত্যাদি সার্চ ইনঞ্জিনের সাহায্য নেই। এখানে সার্চ করলে সাইটটিকে প্রথম পাতায় পাওয়াই প্রতিটি ওয়েব সাইট মালিকের লক্ষ্য।

এসইও করার জন্য প্রয়োজন একটি ওয়েব সাইট। আপনি যদি নিজের ওয়েব সাইটের কাজ করতে চান তাহলে তা করতে পারেন এমনকি ক্লায়েন্টের কাজও করতে পারেন।

seo job Marketplace এ available. আপনি যখন কাজ করবেন তখন ক্লায়েন্ট আপনাকে তার ওয়েব সাইট সম্পর্কে সব তথ্য দিয়ে দিবে। এবার আসুন ক্লায়েন্ট কি জানি।

ক্লায়েন্ট কী?

মার্কেটপ্লেসে যারা কাজ পোষ্ট করে বা যারা কাজ দিয়ে থাকে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে। সহজে বললে যারা লোক দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তারাই ক্লায়েন্ট বা বায়ার।

ক্লায়েন্ট বা বায়ার দুই ধরনের হয়ে থাকে।

  • ইন্টারন্যাশনাল ক্লায়েন্ট/ বায়ার: যারা বিদেশী বা অন্য দেশের এবং যারা ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসে কাজ পোষ্ট করে তাদের ইন্টারন্যাশনাল ক্লায়েন্ট বলা হয়। লোকাল ক্লায়েন্টরাও মার্কেটপ্লেসে কাজ পোষ্ট করে কিন্তু তারা ইন্টারন্যাশনাল ক্লায়েন্ট না। আমরা সহজে ইন্টারন্যাশনাল ক্লায়েন্ট বলতে বুঝি যারা বাহিরে রাষ্ট্রের এবং যাদের মাতৃভাষা আমাদের সাথে মিলে না তাদের কে।
  • লোকাল ক্লায়েন্ট/ বায়ার: দেশের মধ্যে যে কাজ করা হয় এবং যাদের কাজ করা হয় তারা হল লোকাল ক্লায়েন্ট বা বায়ার। নিজ দেশের মধ্যে কোনো কাজ করাকে লোকাল কাজ বলে। এটি বিভিন্ন মাধ্যমে পাওয়া যায়। যেমন- অন্যের মাধ্যমে, মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে বা সরাসরি।

SEO কাজ করার জন্য ওয়েব সাইটের প্রয়োজন হয় আর এটি কিনতে হয়। এর জন্য Domain and Hosting কিনতে হয়। ডোমেইন এবং হোস্টিং না না হলে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় না।

তাহলে জেনে নেয়া যাক ডোমেইন এবং হোষ্টিং কি:

ডোমেইন কী?

ডোমেইন হল নাম। আমরা যেমন google.com লিখে সার্চ করি। এখানে গুগল হল ডোমেইন নাম। এটি ইন্টারন্যাশনাল ভাবে কিনতে হয়।

একটি ডোমেইন নাম রেজিষ্টার করার পর আর পরবর্তীতে সেই নাম ক্রয় করা যায় না। একটি ডোমেইন নাম শুধু মাত্র একবার রেজিষ্টার করা যায়।

হোষ্টিং কী?

শুধু ডোমেইন হলেই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব না। তার জন্য প্রয়োজন হয় জায়গার।আর এই জায়গাকেই হোষ্টিং বলা হয়।

আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে হোষ্টিং বিক্রয় করে থাকে।আবার শুধু হোষ্টিং হলেও ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় না। এই জন্য ডোমেইন এবং হোষ্টিং দুটোই প্রয়োজন হয়।

ডোমেইন হোষ্টিং কেনার পর আমরা দুই ভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করে থাকি।

ক) কোডিং করে

খ) ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে

ক) কোডিং:

এইচটিএমএল এবং সিএসএস এ কোড লিখে তৈরি করা ওয়েবসাইটকে কোডিং ওয়েবসাইট বলে। এটি তৈরি করতে সময় বেশি লাগে এবং খরচ বেশি হয়।শুধু কোডিং করলে শেষ হয়না এর জন্য আবার ডেভেলপমেন্টের দরকার হয়।

খ) ওয়ার্ডপ্রেস:

এটি শুধু ইন্সটল করে কাস্টমাইজড করলেই হয়। আগে থেকেই থিমের মধ্যে সব কোডিং করা থাকে শুধু থিমের মত ডিজাইন করে নিতে হয়।

বর্তমানে ৩৩% ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করা হয়। কারণ ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা সহজ এবং খরচ কম। তাই সবাই এখন এই অপশনটাই চয়েজ করে। কম খরচে ভাল মানের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতেছে।

এবার আলোচনা করবো সি প্যানেল এবং এডমিন প্যানেল।

সি প্যানেল কি?

কন্ট্রোল প্যানেলকে সংক্ষেপে সি প্যানেল বলে।এটি দিয়ে ওয়েবসাইটের সব ধরনের মডিফাই করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল, সাবডোমেইন মডিফাই, ডাটাবেস ইন্সটল সহ সব ধরনের কাজ করা যায় ।

ওয়েবসাইটে কোনো সমস্যা হলে তা মডিফাই করা যায় সি প্যানেল দিয়ে। প্লাগিং সমস্যা, ডাটাবেস আপডেট, নতুন ডাটাবেস ইনসার্ট ইত্যাদি করা যায়।

এক কথায় সি প্যানেল দিয়ে আমরা ওয়েবসাইটের সকল কাজ করতে পারি।আমরা যেখান থেকে ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় করি সেখান থেকে আমাদের সি প্যানেল লগইন করার পাসওয়ার্ড এবং ইউজার নাম সংগ্রহ করা হয়।

এডমিন প্যানেল:

আমরা কোড করার পর বা নতুন কোনো ডাটাবেস তৈরি করার পর একটি নতুন প্যানেল তৈরি হয় সেইটাকে এডমিন প্যানেল বলে।

এডমিন প্যানেল দিয়ে পোষ্ট করা, পেজ তৈরি করা, প্লাগিং ইনস্টল করা যায়। এবং ছোট ছোট পেজ সমস্যা গুলো আমরা এডমিন প্যানেল দিয়ে সমাধান করে থাকি।যদিও সি প্যানেল আমাদের বেশি গুরুত্বপূর্ন কিন্তু এডমিন প্যানেল আমাদের অনেক কাজে লাগে।

You Might Also Like

No Comments

Leave a Reply