Office Application

Learn Computer Basic

May 13, 2020
learn

কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন?

Learn, সম্পূর্ণ কম্পিউটার একজনে আবিষ্কার করেনি। যুগে যুগে বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের চেষ্টা ও সাধনার ফলে আধুনিক কম্পিউটার আবিষ্কৃত হয়েছে।সর্ব প্রথম আবিষ্কার করা হয় অ্যাবাকাস। যেটি গণনা করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। আধুনিক কম্পিউটারের রুপ রেখা তৈরি করেন বৃটিশ গণিত বিশারদ চার্লস ব্যাবেজ। তার তৈরি গণনার যন্ত্র অ্যাবাকাস। যেখানে তথ্য জমা রাখা, পড়া এবং লেখা যেত।যার সূত্র ধরে তৈরি করা হয়েছে বর্তমান কম্পিউটার। তাই তাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।তিনি অ্যানালিটিক্যাল নামক একটি যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন এবং তার উপর ভিত্তি করেই আধুনিক  কম্পিউটার আবিষ্কার হয়েছে।

পরবর্তীতে লেডি আগাস্টা, ফ্রাস্ক বন্ডউইন সহ আরো অনেকে এ বিষয়ে নিজ নিজ ধারনার বিকাশ ঘটান।
১৮৮৭ সালে ডঃ হারম্যান হলেরিথ যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারীর কাজে ব্যবহারের জন্য ইলেক্ট্রো মেকানিক্যাল ব্যবস্থায় পাঞ্চকার্ডের সমন্বয় ঘটিয়ে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের যন্ত্র আবিষ্কার করেন। এ যন্ত্রের সাহায্যে দ্রত আদমশুমারীর রিপোর্ট তৈরি করা সম্ভব হয়েছিল।১৮৯৬ সালে হলেরিথের এ যন্ত্র তৈরির জন্য ‘হলেরিথ টেবুলেশন মেশিন কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে এ জাতীয় কয়েকটি কোম্পানী মিলে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন কর্পোরেশন সংক্ষেপে আইবিএম-এর জন্ম হয়। আরো জানতে learn করুন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক হাওয়ার্ড এইচ আইকেন আইবিএম-এর চার প্রকৌশলীর সহযোগীতায় ১৯৪৪ সালে Mark-1 নামে স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার তৈরি করেন। Mark-1 ছিল ৫১ ফুট লম্বা আর ৮ ফুট উঁচু। এ কম্পিউটারটিতে ৭লক্ষ যন্ত্রাংশ সংযোজন করা হয় এবং সংযোজনের জন্য ৫০০ মাইল তার ব্যবহার করা হয়েছিল। এ মেশিনটির ওজন ৫ টন এবং এটি ১৫ বছর চালু ছিল। এখন এই যন্ত্রটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

ট্রানজিষ্টার আবিষ্কার:

১৯৪৮ সালে ট্রানজিষ্টার আবিষ্কার হয় এবং আগে কম্পিউটার তৈরিতে যে ভ্যাকুয়াম টিউব লাইট ব্যবহার করা হত তার পরিবর্তে ট্রানজিষ্টার ব্যবহার করা হয় এবং কম্পিউটার আকারে ছোট হয়ে যায়। ফলে কাজ দ্রæত গতিতে করা সম্ভব হয়। এবং কম্পিউটার এ ট্রানজিষ্টার ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের সাইজ একটি টিভির মত হয়ে যায়। ফলে দাম কমে যায়, সুবিধা বেড়ে যায় এবং কাজের ক্ষমতা হাজার হাজার গুন বেড়ে যায়।
১৯৭১ সালে কম্পিউটারের সবচেয়ে বড় বিপ্লব ঘটে মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কারের ফলে। একে আইসি বলা হয় যার পূর্ণরুপ হলো –ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। ১৯৭১ সালে আমেরিকার ইন্টেল কোম্পানি সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করেন। মাইক্রোপ্রসেস হল বর্গ ইঞ্চি আয়তন বিশিষ্ট সিলিকন পাত যার মধ্যে হাজার হাজার ট্রানজিষ্টার সন্নিবেশিত একটি যন্ত্র।কম্পিউটাওে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হওয়ায় কম্পিউটারের আকৃতি ছোট হয়ে আসে, এর সুবিধা এবং কাজের ক্ষমতা হাজার গুণ বেড়ে যায়।

. কম্পিউটার কি?

গ্রীক শব্দ compute থেকে computer শব্দের উৎপত্তি । compute অর্থ হল গণনা করা আর computer অর্থ হলো গণনাকারী। তবে মানুষের দেওয়া যুক্তিসংগত তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে অতি দ্রæত ও নির্ভুল ফলাফল  দেয় তাকে কম্পিউটার (computer) বলা হয়।
৪. কম্পিউটারের মূলতঃ ৩টি অংশ রয়েছে। যেমনঃ
ক) Input Device
খ) System Unit

গ) Output Device

) Input Device : কম্পিউটার যে যন্ত্রপাতির মাধ্যমে নির্দেশ, ডাটা বা উপাত্ত এবং প্রোগ্রাম গ্রহণ করে সেসব যন্ত্রপাতিকে Input Device বলে। যেমন:-Keyboard, Mouse, pade, Scanner, Light pen, Digital Camera etc.

) System Unit: হল কম্পিউটারের মুল ইউনিট যার মাধ্যমে কম্পিউটারের সকল গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রগুলো থাকে। System Unit- এর বিভিন্ন যন্ত্রাংশগুলো হলোঃ ১. ক) mother board   খ) Processor গ) ROM ঘ) RAM ঙ) Rechargeable Battery চ)Keyboard and Mouse etc.

. Power supply Unit
.Floppy Disk
. Hard Disk
.CD ROM Drive
.Various Types of card or adaptor

) Output Device :যে যন্ত্রের মাধ্যমে কম্পিউটার আমাদেরকে তথ্যাদি প্রদান করে সেগুলোকে Output Device বলা হয়। যেমন:- Monitor, printer, Sound Box etc. কম্পিউটার নি¤েœাক্তভাবে কাজ করে অর্থাৎ ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার তথ্য গ্রহণ করে, প্রসেসর তথ্য প্রসেস করে এবং আউটপুট ডিভাইস তথ্য প্রদান করে। CPU (Central Processing Unit) হল কম্পিউটারের প্রধান অংশ। একে কম্পিউটারের মস্তিস্কও বলা হয়। কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যক্রম সিপিইউ নিয়ন্ত্রয়ণ করে। কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বলতে মাইক্রোপ্রসেসর বুঝানো হয়ে থাকে। Details (Learn) click here

৪। ROM এবং RAM কি?

ROM (Read Only Memory) কম্পিউটার চালু করলেই কিছু তথ্য দেখতে পাওয়া যায় যেগুলো কম্পিউটার নির্মাণের সময় প্রস্তুতকারকগণ সংযুক্ত করে দিয়েছেন। ROM -এ কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। এজন্য একে স্থায়ী স্মৃতি বলা হয়। ROM message থেকে আমরা কম্পিউটারের সমস্ত তথ্য পেতে পারি। যেমন- কম্পিউটারটিতে Hard Disk কত, CD –Rom Drive আছে কিনা, Floppy Disk Drive  সচল কিনা ইত্যাদি। অর্থাৎ কম্পিউটারের কোন যন্ত্রাদি কাজ করবে আর কোনগুলো করবে না তা এখান থেকে নির্ধারণ করে দেয়া হয়।

৫। প্রিন্টার কি?

প্রিন্টার একটি ইনপুট ডিভাইস। যে যন্ত্রের মাধ্যমে কম্পিউটার প্রাপ্ত ফলাফল কাগজে ছাপায় সেটিকে প্রিন্টার বলা হয়। সবচেয়ে বেশি ব্যহৃত হয়ঃ
ক) ডট্ ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
খ) লাইন প্রিন্টার
গ) লেজার প্রিন্টার

সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে কম্পিউটার এর ও পরিবর্তন ঘটেছে যা যুগে যুগে আমাদের মাঝে আসছে। learn আরো বেসিক কিছু ক্লিক

You Might Also Like

No Comments

Leave a Reply